জুয়ার কবলে জাওয়ার ইউনিয়ন
নাবীন মাছুম ,রিপোর্টার, দৈনিক প্রভাত বাংলা।
৮ মে ২০২০।
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলাধীন জাওয়ার ইউনিয়নের জাওয়ার গ্রামে জুয়ার কারণে ধ্বংস হচ্ছে কিশোরদের জিবন।সদ্য শিশুকাল পাড়ি দেয়া ছেলেরা যাদের হাতে থাকার কথা স্কুলের বই-খাতা তাদের হাতে হাতে আজ জুয়ার জিনিসপত্র।
যে ছেলেদের এখন মাঠে ক্রিকেট -ফুটবল খেলার কথা তারা আজ জুয়ার নেশায় সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে বিভিন্নরকম অন্যায় পেশায় নিজেদের নিয়োজিত করছে।জুয়ার টাকা জোগাড় করার জন্য তারা চুরি,ছিনতাই,মাদকদ্রব্য বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত হচ্ছে।
গ্রামবাসীর দাবি, তাদের পিছনে আছে একটা চক্র যারা তাদেরকে চড়া সুদে টাকা দিয়ে থাকে খেলার জন্য এবং রাতের আঁধারে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় হাওড়ে জুয়া খেলার জন্য। এই কারণে জাওয়ার গ্রামে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা এবং মারামারি,ঝগড়া বিবাদ।গ্রামের শান্তি নষ্ট হচ্ছে এবং তাদের কারণে গ্রামের অন্যান্য মানুষ হয়ে উঠছে অতিষ্ঠ।
এমতাবস্থায়, তাড়াইল উপজেলার প্রশাসনকে এই ব্যাপারে যথাযথ ব্যাবস্থা নিয়ে গ্রামের শান্তি পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খায়রুল আলমসহ সমাজের সচেতন মহল।
৮ মে ২০২০।
কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলাধীন জাওয়ার ইউনিয়নের জাওয়ার গ্রামে জুয়ার কারণে ধ্বংস হচ্ছে কিশোরদের জিবন।সদ্য শিশুকাল পাড়ি দেয়া ছেলেরা যাদের হাতে থাকার কথা স্কুলের বই-খাতা তাদের হাতে হাতে আজ জুয়ার জিনিসপত্র।
যে ছেলেদের এখন মাঠে ক্রিকেট -ফুটবল খেলার কথা তারা আজ জুয়ার নেশায় সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে বিভিন্নরকম অন্যায় পেশায় নিজেদের নিয়োজিত করছে।জুয়ার টাকা জোগাড় করার জন্য তারা চুরি,ছিনতাই,মাদকদ্রব্য বিক্রিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত হচ্ছে।
গ্রামবাসীর দাবি, তাদের পিছনে আছে একটা চক্র যারা তাদেরকে চড়া সুদে টাকা দিয়ে থাকে খেলার জন্য এবং রাতের আঁধারে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় হাওড়ে জুয়া খেলার জন্য। এই কারণে জাওয়ার গ্রামে প্রতিদিন সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা এবং মারামারি,ঝগড়া বিবাদ।গ্রামের শান্তি নষ্ট হচ্ছে এবং তাদের কারণে গ্রামের অন্যান্য মানুষ হয়ে উঠছে অতিষ্ঠ।
এমতাবস্থায়, তাড়াইল উপজেলার প্রশাসনকে এই ব্যাপারে যথাযথ ব্যাবস্থা নিয়ে গ্রামের শান্তি পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী খায়রুল আলমসহ সমাজের সচেতন মহল।



গ্রামে যারা বিচার শালিস করে তারাই পারতো এই সমস্যার সমাধান করতে।কিন্তু আপসোসের বিষয় হচ্ছে তারা জেনেও কিছু করে না।কারণ এর সাথে হয়তো কার সন্তান জরিয়ে অন্যতায় তাদের স্বার্থপরতা জরিয়ে।তাই এখন যা করার তা প্রসাশন করতে হবে।
ReplyDelete