মাহে রমযানে অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াত করুনঃ-
রমযান মাসের সাথে কুরআনে কারীমের একটা বিশেষ সম্পর্ক আছে। কুরআন নাযিল করার জন্য আল্লাহ এই মাসটি নির্বাচন করেছেন।রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জিবরাঈল আ. -এর সাথে প্রতি রমযানে কুরআনে কারীমের দাওর করতেন(সহীহ বুখারী,হাদিস নং১০৬২; সহীহ মুসলিম হাদিস নং৫০৪৪)।
এজন্য যতদূর সম্ভব, এ মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা চাই।ইমামে আযম হযরত আবু হানিফা রহ. দৈনিক দুই খতম করে এক রমযান মাসেই ষাট খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন।
আমাদের নিকট অতীতে, আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ. - এর জীবনীতে পাওয়া যায়, তাঁর দৈনিক এক খতম কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস ছিল।যদিও দৈনিক এক খতম তিলাওয়াত করা জরুরী নয়, কিন্তু আমরা আমাদের সামর্থ অনুযায়ী যতটুক পারি, ততটুক তো অন্তত চেষ্টা করা উচিত।তাছাড়া এই মাসে ইস্তেগফার, তিন তাসবীহ ও দরুদ শরীফ ইত্যাদির অজীফা আদায়ের প্রতিও গুরুত্বারোপ করা উচিত,যাতে উঠা বসা,চলা ফেরা- সবসময় যবানে যিকির জারি রাখার অভ্যাস হয়ে যায়।
মাহে রমযানে গোনাহ থেকে বাঁচুনঃ-
রমযান মাস এমনভাবে অতিবাহিত করা চাই, যেন তাতে একটি গোনাহও আমার দ্বারা সংঘটিত না হয়।আমার হাত পা,চোখ কান,যবান সবকিছু গোনাহমুক্ত রাখব।আমার চোখ এ মাসে কোনো অন্যায় দৃষ্টি দিবে না; যবান কোনো অন্যায় কথা বলবে না; কান কোনো গোনাহের কথা শুনবে না; এই সংকল্প নিয়ে চললেই রোজার উদ্দেশ্য অর্জন করা সম্ভবপর হবে।অন্যথায় এটা তো বড় হাস্যকর কথা যে,রোজা রেখে যেই পানাহার হালাল ছিল,তা বর্জন করলাম, কিন্তু যেই গীবত, শেকায়েত, বদনজর,মিথ্য,ধোঁকা,প্রতারণা অন্য সময়ও হারাম ছিল, তা ঠিকই করলাম! হালাল ছাড়লাম ; কিন্তু হারাম ছাড়লাম না। এমন রোজার রুহানিয়াত ও রহমত বরকত কোণ্থেকে আসবে?
রমযান মাসে দু'আর প্রতি গুরুত্ব দিনঃ-
রমযান মাসে বেশি বেশি দু'আর প্রতি গুরুত্বারোপ করুন। কারণ ইফতারের সময় দু'আ ফেরত দেয়া হয় না।আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ের দু'আ ফেরত দেয়া হয় না।সাহরির সময়ের দু'আ ফেরত দেয়া হয় না। যেন রমযানের চব্বিশ ঘন্টাই দু'আ কবুলের দরজা উন্মুক্ত। সুতরাং নিজের আত্মসংশোধনের জন্য,পরিবার পরিজনের জন্য এবং সকল মুসলমানের জন্য বেশি বেশি দু'আ করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমযানের আসল রুহ ও প্রাণ এবং আবেদন তাৎপর্য বোঝার এবং তাঁর সন্তুষ্টি মোতাবেক রমযান মাস অতিবাহিত করার তাওফীক দান করুন। আমীন। সূত্র: ইসলাহী মাওয়ায়েজ (১/১৭২-১৯০)।
সংকলক: জিহাদুল ইসলাম সুমন
ভি.পি.বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদরাসা।
রমযান মাসের সাথে কুরআনে কারীমের একটা বিশেষ সম্পর্ক আছে। কুরআন নাযিল করার জন্য আল্লাহ এই মাসটি নির্বাচন করেছেন।রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জিবরাঈল আ. -এর সাথে প্রতি রমযানে কুরআনে কারীমের দাওর করতেন(সহীহ বুখারী,হাদিস নং১০৬২; সহীহ মুসলিম হাদিস নং৫০৪৪)।
এজন্য যতদূর সম্ভব, এ মাসে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করা চাই।ইমামে আযম হযরত আবু হানিফা রহ. দৈনিক দুই খতম করে এক রমযান মাসেই ষাট খতম কুরআন তিলাওয়াত করতেন।
আমাদের নিকট অতীতে, আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী রহ. - এর জীবনীতে পাওয়া যায়, তাঁর দৈনিক এক খতম কুরআন তিলাওয়াতের অভ্যাস ছিল।যদিও দৈনিক এক খতম তিলাওয়াত করা জরুরী নয়, কিন্তু আমরা আমাদের সামর্থ অনুযায়ী যতটুক পারি, ততটুক তো অন্তত চেষ্টা করা উচিত।তাছাড়া এই মাসে ইস্তেগফার, তিন তাসবীহ ও দরুদ শরীফ ইত্যাদির অজীফা আদায়ের প্রতিও গুরুত্বারোপ করা উচিত,যাতে উঠা বসা,চলা ফেরা- সবসময় যবানে যিকির জারি রাখার অভ্যাস হয়ে যায়।
মাহে রমযানে গোনাহ থেকে বাঁচুনঃ-
রমযান মাস এমনভাবে অতিবাহিত করা চাই, যেন তাতে একটি গোনাহও আমার দ্বারা সংঘটিত না হয়।আমার হাত পা,চোখ কান,যবান সবকিছু গোনাহমুক্ত রাখব।আমার চোখ এ মাসে কোনো অন্যায় দৃষ্টি দিবে না; যবান কোনো অন্যায় কথা বলবে না; কান কোনো গোনাহের কথা শুনবে না; এই সংকল্প নিয়ে চললেই রোজার উদ্দেশ্য অর্জন করা সম্ভবপর হবে।অন্যথায় এটা তো বড় হাস্যকর কথা যে,রোজা রেখে যেই পানাহার হালাল ছিল,তা বর্জন করলাম, কিন্তু যেই গীবত, শেকায়েত, বদনজর,মিথ্য,ধোঁকা,প্রতারণা অন্য সময়ও হারাম ছিল, তা ঠিকই করলাম! হালাল ছাড়লাম ; কিন্তু হারাম ছাড়লাম না। এমন রোজার রুহানিয়াত ও রহমত বরকত কোণ্থেকে আসবে?
রমযান মাসে দু'আর প্রতি গুরুত্ব দিনঃ-
রমযান মাসে বেশি বেশি দু'আর প্রতি গুরুত্বারোপ করুন। কারণ ইফতারের সময় দু'আ ফেরত দেয়া হয় না।আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ের দু'আ ফেরত দেয়া হয় না।সাহরির সময়ের দু'আ ফেরত দেয়া হয় না। যেন রমযানের চব্বিশ ঘন্টাই দু'আ কবুলের দরজা উন্মুক্ত। সুতরাং নিজের আত্মসংশোধনের জন্য,পরিবার পরিজনের জন্য এবং সকল মুসলমানের জন্য বেশি বেশি দু'আ করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমযানের আসল রুহ ও প্রাণ এবং আবেদন তাৎপর্য বোঝার এবং তাঁর সন্তুষ্টি মোতাবেক রমযান মাস অতিবাহিত করার তাওফীক দান করুন। আমীন। সূত্র: ইসলাহী মাওয়ায়েজ (১/১৭২-১৯০)।
সংকলক: জিহাদুল ইসলাম সুমন
ভি.পি.বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদরাসা।


Comments
Post a Comment