লাখাইয়ে লুটপাটের টিন আটক : অভিযোগ দায়ের
লাখাইয়ে লুটপাটের টিন আটক : অভিযোগ দায়ের
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি এনামুল হক আরিফঃ
হবিগঞ্জের, লাখাইয়ের সন্তোষপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় আসামী পক্ষের পুরুষ শুন্য দেড় শতাধিক বাড়িঘর ভাংচুর ও নগদ টাকা, জমিনের ধানসহ গরু বাছুর লুটপাটের অভিযোগ।
এদিকে আসামী পক্ষের লোকজনদের বাড়ির টিন ৩টি পিকআপ ভ্যানে চোরাই পথে পাচারকালে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে লাখাই থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সূত্র জানায়, গত ২২ মার্চ গ্রামের সাবেক মেম্বার মনিরুজ্জামান ওরফে মনু মিয়ার সাথে একই গ্রামের বর্তমান মেম্বার বাহার উদ্দিনের পক্ষের লোকজনদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে নজরুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মারা যায়।
এ ঘটনার পর পরই বাহার উদ্দিন মেম্বারের পক্ষের লোকজন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সন্তোষপুর গ্রামের আসামী পক্ষের লোকজনের বাড়ি পুরুষ শূন্য হয়ে যায়। এর প্রতিপক্ষের লোকজন আসামী পক্ষের বাড়িতে তান্ডলীলা শুরু করে।
ব্লিডিংসহ ভাংচুর করে দেড় শতাধিক বাড়িঘর। লুট করে নিয়ে যায় নগদ টাকা, স্বর্ণলংকারসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল। শুধু তাই নয়, পুরুষ শূন্য বাড়ির নারীদের উপর শুরু করে নির্যাতন। শ্লীলতাহানী করে অনেক নারীর।
এ দিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্তোষপুর গ্রাম থেকে বাদী পক্ষের লোকজন আসামী পক্ষের বাড়ি ঘরের টিনসহ মালামাল ৩টি পিকআপ ভ্যানে চোরাই পথে বিক্রি করার জন্য রওয়ানা দিলে জিরুন্ডা এলাকায় পৌছামাত্র স্থানীয় লোকজন আটক করেন।
পরে এ বিষয়টি লাখাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদ কামাল চৌধুরীকে
অবগত করলে মুর্শেদ কামাল চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে এ বিষয়টি লাখাই থানা পুলিশকে অবগত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩টি পিকাভ ভ্যান জব্ধ করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে লাখাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদ কামাল চৌধুরী জানান, এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটার পর সন্তোষপুর গ্রামে আসামী পক্ষের বাড়িতে তান্ডবলীলা চলছে। বাড়িঘর ভাংচুর, জমির ধান লুটসহ কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়টি আসামী পক্ষের লোকজন পুলিশ সুপারকে অবগত করেছেন।
তিনি বলেন-বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্তোষপুর গ্রামের সাবেক মেম্বার মনিরুজ্জামান, আবুল কালাম, ছুরুক মিয়াসহ আরো কয়েকজন প্রতিপক্ষের বাড়ি থেকে লুট করাসহ মালামাল ৩টি পিকাভ ভ্যানে করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল।
পরবর্তীতে এ বিষয়টি আচ করতে পেড়ে জিরুন্ডা গ্রামের লোকজন আটক করে আমাকে খবর দেন। আমি সেখানে পুলিশ নিয়ে যাই। পুলিশ ৩টি পিকআপ ভ্যানসহ চালককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
শুক্রবার দুপুরে সন্তোষপুর গ্রামের মাহাবুর আলম বাদী হয়ে লাখাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে লাখাই থানার ওসি জানান, টিনসহ ভাঙ্গারীর মালামালের ৩টি পিকআপ ভ্যান আটক করা হয়েছে। একটি অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি এনামুল হক আরিফঃ
হবিগঞ্জের, লাখাইয়ের সন্তোষপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহতের ঘটনায় আসামী পক্ষের পুরুষ শুন্য দেড় শতাধিক বাড়িঘর ভাংচুর ও নগদ টাকা, জমিনের ধানসহ গরু বাছুর লুটপাটের অভিযোগ।
এদিকে আসামী পক্ষের লোকজনদের বাড়ির টিন ৩টি পিকআপ ভ্যানে চোরাই পথে পাচারকালে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে লাখাই থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সূত্র জানায়, গত ২২ মার্চ গ্রামের সাবেক মেম্বার মনিরুজ্জামান ওরফে মনু মিয়ার সাথে একই গ্রামের বর্তমান মেম্বার বাহার উদ্দিনের পক্ষের লোকজনদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে নজরুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মারা যায়।
এ ঘটনার পর পরই বাহার উদ্দিন মেম্বারের পক্ষের লোকজন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সন্তোষপুর গ্রামের আসামী পক্ষের লোকজনের বাড়ি পুরুষ শূন্য হয়ে যায়। এর প্রতিপক্ষের লোকজন আসামী পক্ষের বাড়িতে তান্ডলীলা শুরু করে।
ব্লিডিংসহ ভাংচুর করে দেড় শতাধিক বাড়িঘর। লুট করে নিয়ে যায় নগদ টাকা, স্বর্ণলংকারসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল। শুধু তাই নয়, পুরুষ শূন্য বাড়ির নারীদের উপর শুরু করে নির্যাতন। শ্লীলতাহানী করে অনেক নারীর।
এ দিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্তোষপুর গ্রাম থেকে বাদী পক্ষের লোকজন আসামী পক্ষের বাড়ি ঘরের টিনসহ মালামাল ৩টি পিকআপ ভ্যানে চোরাই পথে বিক্রি করার জন্য রওয়ানা দিলে জিরুন্ডা এলাকায় পৌছামাত্র স্থানীয় লোকজন আটক করেন।
পরে এ বিষয়টি লাখাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদ কামাল চৌধুরীকে
অবগত করলে মুর্শেদ কামাল চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে এ বিষয়টি লাখাই থানা পুলিশকে অবগত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩টি পিকাভ ভ্যান জব্ধ করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে লাখাই উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুর্শেদ কামাল চৌধুরী জানান, এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটার পর সন্তোষপুর গ্রামে আসামী পক্ষের বাড়িতে তান্ডবলীলা চলছে। বাড়িঘর ভাংচুর, জমির ধান লুটসহ কোটি টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়টি আসামী পক্ষের লোকজন পুলিশ সুপারকে অবগত করেছেন।
তিনি বলেন-বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্তোষপুর গ্রামের সাবেক মেম্বার মনিরুজ্জামান, আবুল কালাম, ছুরুক মিয়াসহ আরো কয়েকজন প্রতিপক্ষের বাড়ি থেকে লুট করাসহ মালামাল ৩টি পিকাভ ভ্যানে করে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছিল।
পরবর্তীতে এ বিষয়টি আচ করতে পেড়ে জিরুন্ডা গ্রামের লোকজন আটক করে আমাকে খবর দেন। আমি সেখানে পুলিশ নিয়ে যাই। পুলিশ ৩টি পিকআপ ভ্যানসহ চালককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
শুক্রবার দুপুরে সন্তোষপুর গ্রামের মাহাবুর আলম বাদী হয়ে লাখাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে লাখাই থানার ওসি জানান, টিনসহ ভাঙ্গারীর মালামালের ৩টি পিকআপ ভ্যান আটক করা হয়েছে। একটি অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।



Comments
Post a Comment