একজনের খুঁনের দায়ে প্রতিবাদী সাংবাদিককে ফাঁসানোর গভীর ষড়যন্ত্র
পূর্ণিমা হোসাইন
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার আঠারবাড়ীয়া গ্রামের কৃষক ইশাদ আলীকে(৫০) গত ১৮ই এপ্রিল-২০২০ইং বেলা আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ীর সীমানা নিয়ে দন্দের জের স্বরূপ সৈয়দ আলী(৩০) নামের একজন দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে ইশাদ আলীকে সরারচর রেলগেইট সংলগ্ন স্থানে। সৈয়দ আলীর পরিচয় জানাগেছে, তিনি আঠার বাড়ীয়া গ্রামের আহম্মদ আলীর তৃতীয় ছেলে। ইরশাদ আলী আহম্মদ আলীর আপন ভগ্নিপতি। আত্মীয়তার দিক দিয়ে ইশাদ আলীর আপন সম্বন্ধীর ছেলে।
তবে এ বিষয়ে আহম্মদ আলী তার মুঠোফোনে সাংবাদিকদের স্পষ্ট করে অপরাধের দায় স্বীকার করে বলেন “খুন আমার ছেলে করে নাই খুন করেছি আমি নিজেই এবং খুনের ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত নেই” তিনি আরো বলেন, ইশাদ আলী আমার সীমানার সংলগ্ন বাড়িতে বসবাস করে আর এই বাড়ী নিয়ে ইরশাদ আলী ও তার সহপাঠী প্রয়াত সফির উদ্দিন মাষ্টার গংদের সাথে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে মামলা থাকাসত্ত্বেও তিনবার আমার ঘরবাড়ি ভাংচুর করে নিয়ে গেছে, এমনকি ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে। বিনা অপরাধে ভাইবেড়াধর ও স্বজনদের ঘর বাড়ি ও সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে গেছে ১৯৮৭ সালে। এ বিষয়েও মামলা করা হয়েছে। প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মামলা করেও কিছুই করতে পারিনা।
পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে আপোষের লক্ষ্যে শান্তনা দিয়ে আমাকে বাড়িতে এলাকাবাসীর বৈঠকে মিমাংসায় ঠাঁই দেয়া হয়। পুনরায় তৈরি করা ঘর ও আমার সাজানো সংসার এবং প্রায় এক একর বাড়ি ও পুকুরে কলাবাগান ও মাছ চাষ করি। বিনা অজুহাতে ইশাদ আলীও তার সহপাঠী সফির উদ্দিন গং মিলে পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলে পুকুরের পাড় কেটে ফেলে, কেটে ফেলে ফলন্ত কলাবাগান, ঘরবাড়ি ভাংচুর করে লুটপাট করে সব কিছু নিয়ে যায়। এ বিষয়েও নিকলী থানায় মামলা দায়ের করি। এক পর্যায়ে অসহায় হয়ে আবারও যৌথ পরিবার নিয়ে ঢাকায় চলে যাই। এ বিষয়েও নিকলী থানায় মামলা দায়ের করি।
এতো কিছুর পরেও গ্রাম্য সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে আমাকে ঐ বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাসের লক্ষ্যে শান্তনা দেওয়া হয়। সকলের আশ্বাসে আবারো শান্তিতে বসবাস করার লক্ষ্যে ঘরবাড়ী তৈরি করি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ১৩ই মে-২০১০ইং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জমশেদ আলী প্রতিবাদ করায় আবারো আমাকে একলা বসবাসরত এই বাড়িতে শান্তিতে থাকতে চাইলে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে অপারগতা প্রকাশে আমার সাজানো সংসার অতীতের ন্যায় লণ্ডভণ্ড করে দেয়, লুটে নেয় সব কিছু। এ বিষয়েও ফৌজদারি আদালতে মামলা বিদ্যমান। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে উল্টা সাজানো মামলা দিয়ে স্বজনসহ আমাকে এ চক্রটি করেছে হয়রানি। শান্তির আশায় ক্ষণিক সময়ের বসবাস করলেও নিঃস্ব হয়ে প্রায় ৪০বছর যাবত বাড়ি ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় যৌথ পরিবার নিয়ে ভাড়াটে থাকি। অসহায় হয়ে বর্তমানেও সরারচরের রেলগেইট সংলগ্ন এক বাড়িতে ভাড়াটে থাকি।
সাম্প্রতিক ইশাদ আলী আবারো মামলা উপেক্ষা করে বাড়ি দখল করে গাছ কাটে। আইনি প্রতিকার না পেয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলে না, আমিই ইশাদ আলীকে কুপিয়েছি।
দিবালোকে সংঘটিত এই ঘটনায় রেলগেইট সংলগ্ন প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান, বাজিতপুর উপজেলার সরারচর রেলগেইট সংলগ্ন স্থানে একজন মাত্র ব্যক্তি কুপিয়ে আহত করেছে। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর অধিকতর রক্ত ক্ষরণের ফলে মারা যান। নিঃসংস্ব এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তির বিচার কাম্য। তবে শুনেছি খুনের ঘটনায় সাজানো মামলা দিয়ে ফাঁসিয়েছেন সংবাদ কর্মীসহ ১৫জনকে। একজনের খুনের দায়ে নিরপরাধ মানুষকে ফাঁসিয়ে দেয়া হবে এটা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল।
এই বিষয়ে জমশেদ আলী বলেন, মানুষ হত্যা করার অধিকার কারো নেই। প্রকৃত পক্ষে দিবালোকে শুনেছি একজন মাত্র ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছে অধিকতর তদন্তে দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করি। পাশাপাশি যারা নির্দোষ তাদের অব্যহতি প্রার্থনা করি।
এই খুনের ঘটনায় আমি কিছুই জানি না। বিভিন্ন সময়ে আমি এলাকার মাদক ব্যবসায়ী, চোর-ডাকাত ও বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত ফেইসবুক একাউন্টে-Jamshad Banglanews, ফেইজ বুক পেইজ একাউন্ট JBANGLNEWS ও YouTube channel JBTVসহ আমার সম্পাদনায় অনলাইন পোর্টাল- www.jbanglanews.com এমনকি দৈনিক বাংলাদেশের খবরে প্রতিনিধি হিসাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করাই আজ অপরাধীরদের চক্ষুশূল হয়েছি এর জের স্বরূপ ষড়যন্ত্রকারী মহল বাদীকে প্রলোভনে ফেলে আমাকে সাজানো মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে। খুনের ঘটনায় আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
আমি সকাল থেকে নিয়ে বিকেল পর্যন্ত আমার নিজ বাসস্থান থেকে নিকলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে জেলা পরিষদের সদস্য কর্তৃক ত্রাণের জন্য মোট ৩৮০টি প্যাকেট তৈরি করা হয় এর মধ্যে প্রতি চেয়ারম্যান কতটি পেয়েছেন বিতরণে নিয়ম-অনিয়মের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরিতে ব্যস্ত ছিলাম। আমার ব্যক্তিগত এই মুঠোফোন (০১৭১১৫১১১১৯) থেকে কথা বলার প্রমাণ পাওয়া যাবে এমনকি জেলা পরিষদের সদস্য জাকির হোসেন বাতেনের ব্যক্তিগত এই মুঠোফোনে(০১৭১৬-০৫০৫০৫) একাধিকবার ত্রাণের অনিয়মের বিষয়ে কথা বলারও রেকর্ড পাওয়া যাবে।
এক প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিবেদককে বলেন, নিকলী উপজেলার অধীনস্থ সাতটি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে আমার কথা বলার প্রমাণ আছে। প্রশাসনের যাচাইয়ের লক্ষ্যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রত্যেকের নাম, মূঠোফোন নাম্বার জানতে চাইঃ
কামরুল ইসলাম মানিক জারইতলা-০১৭২৬৭৯৯৯৩৮, নিকলী সদর, শাহরিয়ার তুলিপ-০১৭১৬৫১০৬৩৩, আবু তাহের দামপাড়া,০১৭৪৩৬৩২৫২৬, আনোয়ার হোসেন সিংপুর-০১৯১৩২৪৬০২৪, তাকি আমান খাঁন,কারপাশা-০১৭২১০৭৬২৬৩, জামাল উদ্দিন, ছাতিরচর-০১৯৮৪৭২৩৭৭৭, ও আবু তাহের, গুরই ০১৭১১৩১৮৩৭৫।
এছাড়াও কথা বলেছি বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে যথাক্রমে, দিলীপ কুমার সাহা দৈনিক ইত্তেফাক নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি-০১৭১৪০৯৩৮৪৪, আমাদের সময়ের নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি উবাইদুল হক সম্রাট-০১৯২৭৩৭৮৮৪৯, কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার নাসরুল আনোয়ার-০১৭১১১৮১৩৮৪, সমকাল প্রতিনিধি বাজিতপুর উপজেলা, খন্দকার মাহবুবুর রহমান-০১৭১১৪৫৩১০৩, কটিয়াদী উপজেলা সমকাল প্রতিনিধি, রাহাত সালেহীন-০১৭১৩৫৪০৪৮৪, বাংলাদেশ প্রতিদিন জেলা প্রতিনিধি সাইফুদ্দিন লেলিন,০১৯১২১৩৪৯০২, ব্যস্ত থাকায় চেষ্টা করেছি সমকাল জেলা প্রতিনিধি সাইফুল হক মোল্লা দুলু-০১৭১৩২৬৬৮৮৯-এ নাম্বারে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বস্তনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের সাথে জড়িত কামরুল ইসলাম-০১৭১২৫৩৯২৩৯, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আজমল হোসেনের-০১৭১৬২৩৯২৩৫ -এ নাম্বারে। এছাড়াও একাধিক স্থানীয় বর্তমান মেম্বার, আওয়ামীলীগের সক্রীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ অনেকের সাথে কথা বলার প্রমাণ আছে।
অথচ হত্যা কান্ড সংঘটিত হয়েছে পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলায় সেখানে আমাকে ঘটনাস্থলের অন্যতম হুকুম কারী আসামী করা হয়েছে যা গ্রামীণ ফোনের কললিস্ট ও লোকেশনই প্রমাণ করবে আমি নির্দোষ। এই তথ্য দিয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
হত্যা কান্ডের বিষয়ে ৬০ বছর অনুর্ধ্ব নুরইসলাম কান্না করে বলেন, খুন হয়েছে আমাদের বাড়ি হতে প্রায় ৯কি.মি দূরে আর লুটেরা আমার সব কিছুই নিয়ে গেছে আর আমার স্ত্রী ও মেয়েদের করেছে লাঞ্ছিত, হয়েছে সমরমহানীর শিকার।
এই ন্যায় বিচার কোথায় পাব?সারা জীবনের কামাই করা সব নিয়ে গেছে এখন কি খেয়ে বাঁচবো! ছেলে মেয়েদের কিভাবে পড়াশোনা করাবো এ কথা বলে কাঁদতে শুরু করলেন। পাশাপাশি অনেকেরই এমন আহাজারি তাদের দাবি অপরাধ করেছে একজন আর তছনছ করে দিয়েছে প্রায় অর্ধশত পরিবারের বাসস্থান লুটে নিয়েছে সারা জীবনের সঞ্চয়!
অনুসন্ধানে জানা গেছে এই মামলার বাদী সত্য প্রকাশের ভয়ে ইশাদ আলীর সহধর্মিণী ও সন্তানকে দেওয়া হয়নি।
তাদের তৈরি করা হয়েছে স্বাক্ষী আর বাদী করা হয়েছে ষড়যন্ত্রকারী মহল কর্তৃক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে ফাঁসানোর লক্ষ্যে অপরাধী সমমনা তার ছোট ভাই জুয়ারি ও মাদকাসক্ত সিরাজ মিয়াকে আর যারা এই সাজানো মামলার স্বাক্ষী হয়েছেন একাধিক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তি ও বিভিন্ন সময়ের হাজতবাস করা অপরাধী, আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা প্রধান আসামির জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিবার চেষ্টায় লিপ্ত ব্যক্তিও।
যার জিডি নং-নিকলী থানা ৫১৬, তারিখ ১৫ই এপ্রিল ২০১০। অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করাই প্রতিশোধের নেশায় মাতোয়ারা অনেকেই। ১৩ই মে ২০১০ তার প্রমাণ বিদ্যমান।
দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন, আমার দেশসহ বিভিন্ন গনমাধ্যম তার প্রমাণ বহন করে এমনকি তাদের মুঠোফোন প্রমাণ করবে অবস্থান।
মামলার বাদী সিরাজ মিয়াকে মুঠোফোনে জমশেদ আলী মামলার আসামি কিভাবে হলো এই উত্তরে চুপসে যান তিনি।এক পর্যায়ে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
কামরুল ইসলাম মানিক চেয়ারম্যান এই বিষয়ে বলেন, আমি চেষ্টা করেছি নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলায় না জড়ানোর জন্য তবে আমার কোন কথা রাখেনি।
মামলার দায়িত্বে থাকা বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, মামলার তদন্ত কাজ চলছে।
পূর্ণিমা হোসাইন
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার আঠারবাড়ীয়া গ্রামের কৃষক ইশাদ আলীকে(৫০) গত ১৮ই এপ্রিল-২০২০ইং বেলা আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ীর সীমানা নিয়ে দন্দের জের স্বরূপ সৈয়দ আলী(৩০) নামের একজন দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে ইশাদ আলীকে সরারচর রেলগেইট সংলগ্ন স্থানে। সৈয়দ আলীর পরিচয় জানাগেছে, তিনি আঠার বাড়ীয়া গ্রামের আহম্মদ আলীর তৃতীয় ছেলে। ইরশাদ আলী আহম্মদ আলীর আপন ভগ্নিপতি। আত্মীয়তার দিক দিয়ে ইশাদ আলীর আপন সম্বন্ধীর ছেলে।
তবে এ বিষয়ে আহম্মদ আলী তার মুঠোফোনে সাংবাদিকদের স্পষ্ট করে অপরাধের দায় স্বীকার করে বলেন “খুন আমার ছেলে করে নাই খুন করেছি আমি নিজেই এবং খুনের ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত নেই” তিনি আরো বলেন, ইশাদ আলী আমার সীমানার সংলগ্ন বাড়িতে বসবাস করে আর এই বাড়ী নিয়ে ইরশাদ আলী ও তার সহপাঠী প্রয়াত সফির উদ্দিন মাষ্টার গংদের সাথে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে মামলা থাকাসত্ত্বেও তিনবার আমার ঘরবাড়ি ভাংচুর করে নিয়ে গেছে, এমনকি ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছে। বিনা অপরাধে ভাইবেড়াধর ও স্বজনদের ঘর বাড়ি ও সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে গেছে ১৯৮৭ সালে। এ বিষয়েও মামলা করা হয়েছে। প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মামলা করেও কিছুই করতে পারিনা।
পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে আপোষের লক্ষ্যে শান্তনা দিয়ে আমাকে বাড়িতে এলাকাবাসীর বৈঠকে মিমাংসায় ঠাঁই দেয়া হয়। পুনরায় তৈরি করা ঘর ও আমার সাজানো সংসার এবং প্রায় এক একর বাড়ি ও পুকুরে কলাবাগান ও মাছ চাষ করি। বিনা অজুহাতে ইশাদ আলীও তার সহপাঠী সফির উদ্দিন গং মিলে পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করলে পুকুরের পাড় কেটে ফেলে, কেটে ফেলে ফলন্ত কলাবাগান, ঘরবাড়ি ভাংচুর করে লুটপাট করে সব কিছু নিয়ে যায়। এ বিষয়েও নিকলী থানায় মামলা দায়ের করি। এক পর্যায়ে অসহায় হয়ে আবারও যৌথ পরিবার নিয়ে ঢাকায় চলে যাই। এ বিষয়েও নিকলী থানায় মামলা দায়ের করি।
এতো কিছুর পরেও গ্রাম্য সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে আমাকে ঐ বাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাসের লক্ষ্যে শান্তনা দেওয়া হয়। সকলের আশ্বাসে আবারো শান্তিতে বসবাস করার লক্ষ্যে ঘরবাড়ী তৈরি করি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ১৩ই মে-২০১০ইং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জমশেদ আলী প্রতিবাদ করায় আবারো আমাকে একলা বসবাসরত এই বাড়িতে শান্তিতে থাকতে চাইলে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে অপারগতা প্রকাশে আমার সাজানো সংসার অতীতের ন্যায় লণ্ডভণ্ড করে দেয়, লুটে নেয় সব কিছু। এ বিষয়েও ফৌজদারি আদালতে মামলা বিদ্যমান। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে উল্টা সাজানো মামলা দিয়ে স্বজনসহ আমাকে এ চক্রটি করেছে হয়রানি। শান্তির আশায় ক্ষণিক সময়ের বসবাস করলেও নিঃস্ব হয়ে প্রায় ৪০বছর যাবত বাড়ি ছাড়া বিভিন্ন জায়গায় যৌথ পরিবার নিয়ে ভাড়াটে থাকি। অসহায় হয়ে বর্তমানেও সরারচরের রেলগেইট সংলগ্ন এক বাড়িতে ভাড়াটে থাকি।
সাম্প্রতিক ইশাদ আলী আবারো মামলা উপেক্ষা করে বাড়ি দখল করে গাছ কাটে। আইনি প্রতিকার না পেয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আমার ছেলে না, আমিই ইশাদ আলীকে কুপিয়েছি।
দিবালোকে সংঘটিত এই ঘটনায় রেলগেইট সংলগ্ন প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী জানান, বাজিতপুর উপজেলার সরারচর রেলগেইট সংলগ্ন স্থানে একজন মাত্র ব্যক্তি কুপিয়ে আহত করেছে। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর অধিকতর রক্ত ক্ষরণের ফলে মারা যান। নিঃসংস্ব এই ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তির বিচার কাম্য। তবে শুনেছি খুনের ঘটনায় সাজানো মামলা দিয়ে ফাঁসিয়েছেন সংবাদ কর্মীসহ ১৫জনকে। একজনের খুনের দায়ে নিরপরাধ মানুষকে ফাঁসিয়ে দেয়া হবে এটা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল।
এই বিষয়ে জমশেদ আলী বলেন, মানুষ হত্যা করার অধিকার কারো নেই। প্রকৃত পক্ষে দিবালোকে শুনেছি একজন মাত্র ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছে অধিকতর তদন্তে দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করি। পাশাপাশি যারা নির্দোষ তাদের অব্যহতি প্রার্থনা করি।
এই খুনের ঘটনায় আমি কিছুই জানি না। বিভিন্ন সময়ে আমি এলাকার মাদক ব্যবসায়ী, চোর-ডাকাত ও বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আমার ব্যক্তিগত ফেইসবুক একাউন্টে-Jamshad Banglanews, ফেইজ বুক পেইজ একাউন্ট JBANGLNEWS ও YouTube channel JBTVসহ আমার সম্পাদনায় অনলাইন পোর্টাল- www.jbanglanews.com এমনকি দৈনিক বাংলাদেশের খবরে প্রতিনিধি হিসাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করাই আজ অপরাধীরদের চক্ষুশূল হয়েছি এর জের স্বরূপ ষড়যন্ত্রকারী মহল বাদীকে প্রলোভনে ফেলে আমাকে সাজানো মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়েছে। খুনের ঘটনায় আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।
আমি সকাল থেকে নিয়ে বিকেল পর্যন্ত আমার নিজ বাসস্থান থেকে নিকলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে জেলা পরিষদের সদস্য কর্তৃক ত্রাণের জন্য মোট ৩৮০টি প্যাকেট তৈরি করা হয় এর মধ্যে প্রতি চেয়ারম্যান কতটি পেয়েছেন বিতরণে নিয়ম-অনিয়মের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরিতে ব্যস্ত ছিলাম। আমার ব্যক্তিগত এই মুঠোফোন (০১৭১১৫১১১১৯) থেকে কথা বলার প্রমাণ পাওয়া যাবে এমনকি জেলা পরিষদের সদস্য জাকির হোসেন বাতেনের ব্যক্তিগত এই মুঠোফোনে(০১৭১৬-০৫০৫০৫) একাধিকবার ত্রাণের অনিয়মের বিষয়ে কথা বলারও রেকর্ড পাওয়া যাবে।
এক প্রশ্নের জবাবে এই প্রতিবেদককে বলেন, নিকলী উপজেলার অধীনস্থ সাতটি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে আমার কথা বলার প্রমাণ আছে। প্রশাসনের যাচাইয়ের লক্ষ্যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রত্যেকের নাম, মূঠোফোন নাম্বার জানতে চাইঃ
কামরুল ইসলাম মানিক জারইতলা-০১৭২৬৭৯৯৯৩৮, নিকলী সদর, শাহরিয়ার তুলিপ-০১৭১৬৫১০৬৩৩, আবু তাহের দামপাড়া,০১৭৪৩৬৩২৫২৬, আনোয়ার হোসেন সিংপুর-০১৯১৩২৪৬০২৪, তাকি আমান খাঁন,কারপাশা-০১৭২১০৭৬২৬৩, জামাল উদ্দিন, ছাতিরচর-০১৯৮৪৭২৩৭৭৭, ও আবু তাহের, গুরই ০১৭১১৩১৮৩৭৫।
এছাড়াও কথা বলেছি বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীদের সাথে যথাক্রমে, দিলীপ কুমার সাহা দৈনিক ইত্তেফাক নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি-০১৭১৪০৯৩৮৪৪, আমাদের সময়ের নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি উবাইদুল হক সম্রাট-০১৯২৭৩৭৮৮৪৯, কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার নাসরুল আনোয়ার-০১৭১১১৮১৩৮৪, সমকাল প্রতিনিধি বাজিতপুর উপজেলা, খন্দকার মাহবুবুর রহমান-০১৭১১৪৫৩১০৩, কটিয়াদী উপজেলা সমকাল প্রতিনিধি, রাহাত সালেহীন-০১৭১৩৫৪০৪৮৪, বাংলাদেশ প্রতিদিন জেলা প্রতিনিধি সাইফুদ্দিন লেলিন,০১৯১২১৩৪৯০২, ব্যস্ত থাকায় চেষ্টা করেছি সমকাল জেলা প্রতিনিধি সাইফুল হক মোল্লা দুলু-০১৭১৩২৬৬৮৮৯-এ নাম্বারে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বস্তনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের সাথে জড়িত কামরুল ইসলাম-০১৭১২৫৩৯২৩৯, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আজমল হোসেনের-০১৭১৬২৩৯২৩৫ -এ নাম্বারে। এছাড়াও একাধিক স্থানীয় বর্তমান মেম্বার, আওয়ামীলীগের সক্রীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ অনেকের সাথে কথা বলার প্রমাণ আছে।
অথচ হত্যা কান্ড সংঘটিত হয়েছে পার্শ্ববর্তী বাজিতপুর উপজেলায় সেখানে আমাকে ঘটনাস্থলের অন্যতম হুকুম কারী আসামী করা হয়েছে যা গ্রামীণ ফোনের কললিস্ট ও লোকেশনই প্রমাণ করবে আমি নির্দোষ। এই তথ্য দিয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
হত্যা কান্ডের বিষয়ে ৬০ বছর অনুর্ধ্ব নুরইসলাম কান্না করে বলেন, খুন হয়েছে আমাদের বাড়ি হতে প্রায় ৯কি.মি দূরে আর লুটেরা আমার সব কিছুই নিয়ে গেছে আর আমার স্ত্রী ও মেয়েদের করেছে লাঞ্ছিত, হয়েছে সমরমহানীর শিকার।
এই ন্যায় বিচার কোথায় পাব?সারা জীবনের কামাই করা সব নিয়ে গেছে এখন কি খেয়ে বাঁচবো! ছেলে মেয়েদের কিভাবে পড়াশোনা করাবো এ কথা বলে কাঁদতে শুরু করলেন। পাশাপাশি অনেকেরই এমন আহাজারি তাদের দাবি অপরাধ করেছে একজন আর তছনছ করে দিয়েছে প্রায় অর্ধশত পরিবারের বাসস্থান লুটে নিয়েছে সারা জীবনের সঞ্চয়!
অনুসন্ধানে জানা গেছে এই মামলার বাদী সত্য প্রকাশের ভয়ে ইশাদ আলীর সহধর্মিণী ও সন্তানকে দেওয়া হয়নি।
তাদের তৈরি করা হয়েছে স্বাক্ষী আর বাদী করা হয়েছে ষড়যন্ত্রকারী মহল কর্তৃক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত ভাবে ফাঁসানোর লক্ষ্যে অপরাধী সমমনা তার ছোট ভাই জুয়ারি ও মাদকাসক্ত সিরাজ মিয়াকে আর যারা এই সাজানো মামলার স্বাক্ষী হয়েছেন একাধিক মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তি ও বিভিন্ন সময়ের হাজতবাস করা অপরাধী, আগ্নেয়াস্ত্রের দ্বারা প্রধান আসামির জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিবার চেষ্টায় লিপ্ত ব্যক্তিও।
যার জিডি নং-নিকলী থানা ৫১৬, তারিখ ১৫ই এপ্রিল ২০১০। অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করাই প্রতিশোধের নেশায় মাতোয়ারা অনেকেই। ১৩ই মে ২০১০ তার প্রমাণ বিদ্যমান।
দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক সমকাল, দৈনিক যুগান্তর, বাংলাদেশ প্রতিদিন, আমার দেশসহ বিভিন্ন গনমাধ্যম তার প্রমাণ বহন করে এমনকি তাদের মুঠোফোন প্রমাণ করবে অবস্থান।
মামলার বাদী সিরাজ মিয়াকে মুঠোফোনে জমশেদ আলী মামলার আসামি কিভাবে হলো এই উত্তরে চুপসে যান তিনি।এক পর্যায়ে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন।
কামরুল ইসলাম মানিক চেয়ারম্যান এই বিষয়ে বলেন, আমি চেষ্টা করেছি নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলায় না জড়ানোর জন্য তবে আমার কোন কথা রাখেনি।
মামলার দায়িত্বে থাকা বাজিতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, মামলার তদন্ত কাজ চলছে।



Comments
Post a Comment