হবিগঞ্জে ত্রাণ পায়নি অসহায় পরিবার, দিন কাটছে কষ্টে ❗
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি এনামুল হক আরিফঃ
হবিগঞ্জ সদরের মাছুলিয়া এলাকার অসহায় মা ও মেয়ে সরকারের কোনো ত্রাণ সহযোগীতা পাননি। জীবন বাঁচানোর তাগিদে তারা এখনো এই ত্রাণের পথ চেয়ে বসে আছেন।
আজ শুক্রবার (১৭এপ্রিল) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই এলাকার অন্যরা ত্রাণ পেলেও অদ্যবধি পর্যন্ত কোনো খাদ্য সহযোগীতা পাননি এই পরিবার। ফলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা।
শাহেনা আক্তার নামে (৩৯) এক মহিলার কাছ থেকে শোনা যায় ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ। তিনি জানান, আমার স্বামী দিন মজুর মোহাম্মদ চৌধুরী মিয়া। আমরা মাছুলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা। বিগত এক মাস ধরে আমরা খুব কষ্টে আছি কোনো খাদ্য সামগ্রী না পেয়ে। এই এলাকার অনেক মানুষ ত্রান পেলেও এখন পর্যন্ত আমাদেরকে কোনো ত্রাণ দেয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, এই দুর্যোগের সময় না পারছি বৃদ্ধ মায়ের জন্য ঔষধ কিনতে। না পারছি মায়ের মুখে দুমুটো ভাত তুলে দিতে। আজ যে কি রান্না করব সেটার ও কোনো ব্যবস্থা নাই। তাই এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে তিনি।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি এনামুল হক আরিফঃ
![]() |
| দৈনিক প্রভাত বাংলা |
হবিগঞ্জ সদরের মাছুলিয়া এলাকার অসহায় মা ও মেয়ে সরকারের কোনো ত্রাণ সহযোগীতা পাননি। জীবন বাঁচানোর তাগিদে তারা এখনো এই ত্রাণের পথ চেয়ে বসে আছেন।
আজ শুক্রবার (১৭এপ্রিল) খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই এলাকার অন্যরা ত্রাণ পেলেও অদ্যবধি পর্যন্ত কোনো খাদ্য সহযোগীতা পাননি এই পরিবার। ফলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তারা।
শাহেনা আক্তার নামে (৩৯) এক মহিলার কাছ থেকে শোনা যায় ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ। তিনি জানান, আমার স্বামী দিন মজুর মোহাম্মদ চৌধুরী মিয়া। আমরা মাছুলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা। বিগত এক মাস ধরে আমরা খুব কষ্টে আছি কোনো খাদ্য সামগ্রী না পেয়ে। এই এলাকার অনেক মানুষ ত্রান পেলেও এখন পর্যন্ত আমাদেরকে কোনো ত্রাণ দেয়া হয়নি।
তিনি আরও জানান, এই দুর্যোগের সময় না পারছি বৃদ্ধ মায়ের জন্য ঔষধ কিনতে। না পারছি মায়ের মুখে দুমুটো ভাত তুলে দিতে। আজ যে কি রান্না করব সেটার ও কোনো ব্যবস্থা নাই। তাই এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছে তিনি।



Comments
Post a Comment