তারাবীর নামাজের পারিশ্রমিক গ্রহণঃ-
হাকিমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ.
তারাবীর নামাযে কুরআন খতমের দিন হাফেযকে যে চাঁদা সংগ্রহ করে টাকা ইত্যাদি দেয়া হয় সেটা নাজায়েয ও অবৈধ।নাজায়েয তখন হবে যখন এটা প্রচলিত রেওয়ায অনুযায়ী কিংবা পূর্ব শর্তকৃত হয়।যেহেতু সে তখন টাকার লোভে কুরআন পাঠ করে থাকে।তার জন্য কুরআন পড়ার সওয়াব তো দূরের কথা এটিই তার জন্য সৌভাগ্য যে,তার কোনো ধর - পাকড় হচ্ছে না।আর হাফেজ যে শুধু টাকার জন্য কুরআন পড়েন এটা সুস্পষ্ট কথা।কেননা রমাযানের পনের তারিখে যাদি তিনি এটা জানতে পারেন যে, এখানে কিছুই পাওয়া যাবে না- তাহলে হাফেজ কখনো সে মসজিদে নামাজ পড়াবেন না; বরং এটকা বাহানা ধরে চলে যাবেন।আর যদিও মেনে নিলাম যে,তিনি সেই মসজিদে কুরআন খতম করলেন যাহাই হোক, কিন্তু সেই হাফেজ অত্যন্ত নিরাশ হয়ে চলে যাবেন। আর দ্বিতীয়বার সেই মসজিদ পানে তার মুখটাও ফিরাবেন না।
এখন আপনি নিজেই ফায়সালা করুন যে,সেই হাফেজ তারাবীর নামাজ দীনের কাজ মনে করে খাঁটি আল্লাহর জন্য পড়িয়েছেন,না টাকার লোভে পড়িয়েছেন।এখন যদি কেউ প্রশ্ন করেন যে,জনাব টাকা ছাড়া তো কোনো হাফেজ পাওয়া যায় না।আমি তদুত্তরে বলবো যে,এ ধরনের হাফেজ দ্বারা কুরআন পাঠ করানোর চাইতে বিনা - পয়শায় `` আলামতারা কাইফা" ইত্যাদি দ্বারা তারাবীহ নামাজ আদায় করাটা উত্তম। কেননা এ লেনদেন ধর্ম ব্যবসা ছাড়া মানুষের ওপর বোঝা চাপিয়ে চাঁদা সংগ্রহ করা হয় এবং চাঁদার তালিকা জনসমাবেশে উণ্থাপন করা হয় আর অন্যদের দেখাদেখি কিছু একটা লিখাতেই হয়।আবার অনেককে কজ্জা দেয়া হয় যে, এটাতো আপনার মর্যাদার পরিপন্থী; অম্ততপক্ষে এর চাইতে দিগুণ তো দিবেন।চারদিক থেক যখন এ ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়,তখন বেচারা বাধ্য হয়েই স্বীকারোক্তি করতে হয়।এ ধরনের টাকা গ্রহণ করাটা অকাট্যভাবে হারাম।কেননা দান- সামগ্রী হালাল হওয়ার জন্য মনের ইখলাস শর্ত। তদুপরি চাপাচাপি ও বাধ্যবাধকতার শর্তে এটা তো হারামের চরম পর্যায়ে পৌছে যায়।
( আশরাফুল মাওয়ায়িয১/২৩)
মাওলানা জিহাদুল ইসলাম সুমন
ভি. পি. বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদরাসা
শিবচর,মাদারীপুর।
01710252759
হাকিমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ.
তারাবীর নামাযে কুরআন খতমের দিন হাফেযকে যে চাঁদা সংগ্রহ করে টাকা ইত্যাদি দেয়া হয় সেটা নাজায়েয ও অবৈধ।নাজায়েয তখন হবে যখন এটা প্রচলিত রেওয়ায অনুযায়ী কিংবা পূর্ব শর্তকৃত হয়।যেহেতু সে তখন টাকার লোভে কুরআন পাঠ করে থাকে।তার জন্য কুরআন পড়ার সওয়াব তো দূরের কথা এটিই তার জন্য সৌভাগ্য যে,তার কোনো ধর - পাকড় হচ্ছে না।আর হাফেজ যে শুধু টাকার জন্য কুরআন পড়েন এটা সুস্পষ্ট কথা।কেননা রমাযানের পনের তারিখে যাদি তিনি এটা জানতে পারেন যে, এখানে কিছুই পাওয়া যাবে না- তাহলে হাফেজ কখনো সে মসজিদে নামাজ পড়াবেন না; বরং এটকা বাহানা ধরে চলে যাবেন।আর যদিও মেনে নিলাম যে,তিনি সেই মসজিদে কুরআন খতম করলেন যাহাই হোক, কিন্তু সেই হাফেজ অত্যন্ত নিরাশ হয়ে চলে যাবেন। আর দ্বিতীয়বার সেই মসজিদ পানে তার মুখটাও ফিরাবেন না।
এখন আপনি নিজেই ফায়সালা করুন যে,সেই হাফেজ তারাবীর নামাজ দীনের কাজ মনে করে খাঁটি আল্লাহর জন্য পড়িয়েছেন,না টাকার লোভে পড়িয়েছেন।এখন যদি কেউ প্রশ্ন করেন যে,জনাব টাকা ছাড়া তো কোনো হাফেজ পাওয়া যায় না।আমি তদুত্তরে বলবো যে,এ ধরনের হাফেজ দ্বারা কুরআন পাঠ করানোর চাইতে বিনা - পয়শায় `` আলামতারা কাইফা" ইত্যাদি দ্বারা তারাবীহ নামাজ আদায় করাটা উত্তম। কেননা এ লেনদেন ধর্ম ব্যবসা ছাড়া মানুষের ওপর বোঝা চাপিয়ে চাঁদা সংগ্রহ করা হয় এবং চাঁদার তালিকা জনসমাবেশে উণ্থাপন করা হয় আর অন্যদের দেখাদেখি কিছু একটা লিখাতেই হয়।আবার অনেককে কজ্জা দেয়া হয় যে, এটাতো আপনার মর্যাদার পরিপন্থী; অম্ততপক্ষে এর চাইতে দিগুণ তো দিবেন।চারদিক থেক যখন এ ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়,তখন বেচারা বাধ্য হয়েই স্বীকারোক্তি করতে হয়।এ ধরনের টাকা গ্রহণ করাটা অকাট্যভাবে হারাম।কেননা দান- সামগ্রী হালাল হওয়ার জন্য মনের ইখলাস শর্ত। তদুপরি চাপাচাপি ও বাধ্যবাধকতার শর্তে এটা তো হারামের চরম পর্যায়ে পৌছে যায়।
( আশরাফুল মাওয়ায়িয১/২৩)
মাওলানা জিহাদুল ইসলাম সুমন
ভি. পি. বাহাদুরপুর শরীয়াতিয়া কামিল মাদরাসা
শিবচর,মাদারীপুর।
01710252759


Comments
Post a Comment